Here you will find all books published by midnapore.in to promote and preserve history, heritage, literature, archaeology, tourism .... of undivided Medinipur District. You can buy these books online. If you don’t want to buy online, please see the list of book-shops given at the bottom of this page. If you need further assistance please call 8918606989.
অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য, পুরাতত্ত্ব, পর্যটন ইত্যাদি সম্পর্কিত যে সমস্ত বই প্রকাশিত হয়েছে, তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ এই পেজে পাবেন। আপনি এই বইগুলি অনলাইনে কিনতে পারেন। যদি কেউ অনলাইনে কিনতে না চান তাহলে যে সমস্ত দোকানে বইগুলি পাওয়া যাবে তার তালিকা এই পেজের শেষে দেওয়া রয়েছে। যদি কোন কারণে আপনি বই না পান তাহলে 9886128516 নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।
২৮৮ পাতার সম্পূর্ণ রঙ্গিণ একটি অসাধারণ বই " মেদিনীকথা - পূর্ব মেদিনীপুর, পর্যটন ও পুরাকীর্তি " প্রত্যেকটি পাতায় রয়েছে প্রচুর রঙ্গিণ আলোকচিত্র। বইটিতে রয়েছে ৩০০ টির ও বেশি পুরাতাত্তিক নিদর্শন , ৩০ টির ও বেশি আকর্ষণীয় পর্যটন স্থল , ২১ টি সমুদ্র সৈকত , ১৬ টি লোকশিল্প , ইউরোপিয়ানদের তোলা ও আঁকা বহু প্রাচীন চিত্র , প্রত্যেকটি অঞ্চলের মানচিত্র (এছাড়াও বইটির শেষে রয়েছে একটি এ৩ সাইজের জেলার মানচিত্র), প্রত্যেকটি উল্লিখিত গ্রামের আখাংশ ও দ্রাঘিমাংশ। ...... তাম্রলিপ্তের নানা অজানা কাহিনী , কোথায় গেল সেই অশোক স্তম্ভ ? বরাহ মন্দিরটিই বা কোথায় ? কি হয়েছিল খেজুরির সেই ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ? ধর্মমঙ্গল খ্যাত লাউসেনের স্মৃতি বিজড়িত গ্রামগুলোই বা কোথায় ? মা বর্গভীমা আসলে কে ? বর্গভীমা মন্দিরটি কি হিন্দু মন্দির ছিলো ? মসনদ-ই-আলার কাহিনী কি আপনি জানেন ? নেতাজি , গান্ধীজি , রবীন্দ্রনাথ , দ্বিজেন্দ্রলাল আরো অনেকের পূর্ব মেদিনীপুরে আসার কাহিনী। হিন্দি সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এই জেলারই মানুষ। পাঁশকুড়ার হারিয়ে যাওয়া জনপদ , মেদিনীপুরের টেমস নদীর ব্রিজ কোথায় ? যার উপর ও নিচ দিয়ে যেত স্টিমার ও নৌকো ? এই জেলার একটি শহরের নামে নামকরণ হয়েছে একটি ফুলের। কোথায় গেলে দেখতে পাবেন বিখ্যাত সাপের মেলা ? ভারতের প্রথম ভাসমান বাঁধ পরীক্ষা করা হয়েছিল এই জেলায়। দেখতে চান প্রাগৈতিহাসিক যুগের সংগ্রহশালা ?
More »১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্টের আগে তাঁর নাম উচ্চারণ করা দণ্ডনীয় অপরাধ ছিল। তাঁর বিরুদ্ধে করা প্রথম মামলাই (মেদিনীপুরে) বাংলা দেশে বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকারের করা প্রথম রাজদ্রোহের মামলা। স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার প্রথম সাজাপ্রাপ্ত শহীদ। তাঁর বলিদান বহু বীরের জন্ম দিয়েছিলো। The British newspaper, The Empire, wrote: "Khudiram Bose was executed this morning...It is alleged that he mounted the scaffold with his body erect. He was cheerful and smiling." ক্ষুদিরামের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, ফাঁসির মঞ্চে আত্মবলিদান দিতে পারলে ভারতের ঘরে ঘরে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠবে। আর সেই আগুনেই পুড়ে ছাই হবে অত্যাচারী ব্রিটিশের সাজানো সাম্রাজ্য। ফাঁসির মঞ্চে প্রহরীরা যখন তাঁকে নিয়ে যাচ্ছিল, দেখে মনে হয়েছিল যেন ক্ষুদিরাম ওই প্রহরীদের টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। হাঁসি মুখে মাথা উঁচু করে ফাঁসির দড়ি গলায় পরেছিলেন ক্ষুদিরাম। মুজাফ্ফরপুর থেকে অনেক দূরে কটক শহরে একটি ছোট্ট ছেলের মন আকুল হয়েছিল এই ঘটনায়। ১৯১১ সালের ১০ আগস্ট সেই ছেলেটি তাঁর স্কুলের (Ravenshaw Collegiate School) বন্ধুদের একটি প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবটি সংক্ষেপে এইরকম—‘‘আগামীকাল ১১ আগস্ট। এই দিনেই ক্ষুদিরাম ফাঁসির মঞ্চে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন। এই দিনটি আমাদের জাতীয় শোকের দিন রূপে পালন করা উচিত। কাল আমরা সারাদিন অনশন করব।’’সমস্ত ছাত্রই তাঁর প্রস্তাবকে সমর্থন করেছিলেন এবং পরের দিন স্কুলের আবাসিক ছাত্ররা অনশন করে ক্ষুদিরামকে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন। সেদিনের সেই ছোট্ট ছেলেটি ক্ষুদিরামের স্বপ্ন বুকে নিয়ে বড় হয়ে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে এক ঐতিহাসিক সংগ্রাম পরিচালনা করেছিলেন। তাঁর নাম নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস। শুধু নেতাজি নয়, ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান সেদিন দেশের সমস্ত মানুষকেই অনুপ্রাণিত করেছিল। আদালতে কানাই বলেছিল- ‘‘ক্ষুদিরামের ভূত এসে আমাকে জেলের মধ্যে বন্দুক দিয়ে গেছে।’’...
More »নায়েক বিদ্রোহের পটভূমিকায় লেখা। ১২২ বছর আগে প্রথম প্রকাশিত। শিহরণ জাগানো, আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঐতিহাসিক প্রেমকাহিনী। এই উপন্যাসের কিছুটা H.L Harrison সাহেবের বার্ষিক রিপোর্ট (১৮৭২-১৮৭৩) ও বাকিটা জনশ্রুতি অবলম্বনে লিখিত। ...
More »ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরর দ্বিশতবর্ষের জন্মদিন প্রায় সমাগত। বাংলা, হিন্দি, তামিল, ইংরেজি ইত্যাদি বহু ভাষায় দেশে এবং বিদেশে বহু জ্ঞানী-গুণী মানুষ বিদ্যাসাগরের জীবন চরিত লিখেছেন। কিন্তু স্বয়ং ঈশ্বরচন্দ্র কিভাবে দেখেছিলেন নিজেকে, তাঁর সমকালকে? আর বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ মনীষী রবীন্দ্রনাথের ভাবনাতেই বা কিভাবে ধরা দিয়েছেন তাঁর পূর্বজ? তা একই মলাটের মধ্যে আনার ইচ্ছে আমার বহুদিন ধরেই ছিল। তঁারা কেমন ভাবে অনুভব ও মূল্যায়ন করেছেন তা পুনরায় মানুষের কাছে পেৌঁছে দেওয়া উচিত। সেই ভাবনা থেকেই এই গ্রন্থ। বিদ্যাসাগরের জীবনচরিত প্রকাশ করতে গিয়ে প্রথমেই মনে পডে় আচার্য রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী মহাশয়ের লেখা - "অনুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়, বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্তে্র নির্দ্দিষ্ট থাকিলেও, ঐউদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্বদা ব্যবহৃত হয় না। কিন্তু বিদ্যাসাগরের জীবনচরিত বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার জন্য নির্ম্মিত যন্ত্রস্বরৃপ। আমাদের দেশের মধ্যে যাহারা খুব বড় বলিয়া আমাদের নিকট পরিচিত, ঐগ্রন্থ একখানি সম্মুখে ধরিবামাত্র তাঁহারা সহসা অতিমাত্র ক্ষুদ্র হইয়া পডে়ন; এবং এই যে বাঙালীতম লইয়া আমরা অহোরাত্র আস্ফালন করিয়া থাকি, তাহাও অতি ক্ষুদ্র ও শীর্ণ কলেবর ধাবণ করে। এই চতুষ্পার্শস্থ ক্ষুদ্রতার মধ্যস্থলে বিদ্যাসাগরের মূর্ত্তি ধবল পর্বতের ন্যায় শীর্ষ তুলিয়া দণ্ডায়মান থাকে, কাহারও সাধ্য নাই যে, সেই উচ্চ চূড়া অতিক্রম করে বা স্পর্শ করে।" ....... More »
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরর দ্বিশতবর্ষের জন্মদিন প্রায় সমাগত। বাংলা, হিন্দি, তামিল, ইংরেজি ইত্যাদি বহু ভাষায় দেশে এবং বিদেশে বহু জ্ঞানী-গুণী মানুষ বিদ্যাসাগরের জীবন চরিত লিখেছেন। কিন্তু স্বয়ং ঈশ্বরচন্দ্র কিভাবে দেখেছিলেন নিজেকে, তাঁর সমকালকে? আর বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ মনীষী রবীন্দ্রনাথের ভাবনাতেই বা কিভাবে ধরা দিয়েছেন তাঁর পূর্বজ? তা একই মলাটের মধ্যে আনার ইচ্ছে আমার বহুদিন ধরেই ছিল। তঁারা কেমন ভাবে অনুভব ও মূল্যায়ন করেছেন তা পুনরায় মানুষের কাছে পেৌঁছে দেওয়া উচিত। সেই ভাবনা থেকেই এই গ্রন্থ। বিদ্যাসাগরের জীবনচরিত প্রকাশ করতে গিয়ে প্রথমেই মনে পডে় আচার্য রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী মহাশয়ের লেখা - "অনুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়, বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্তে্র নির্দ্দিষ্ট থাকিলেও, ঐউদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্বদা ব্যবহৃত হয় না। কিন্তু বিদ্যাসাগরের জীবনচরিত বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার জন্য নির্ম্মিত যন্ত্রস্বরৃপ। আমাদের দেশের মধ্যে যাহারা খুব বড় বলিয়া আমাদের নিকট পরিচিত, ঐগ্রন্থ একখানি সম্মুখে ধরিবামাত্র তাঁহারা সহসা অতিমাত্র ক্ষুদ্র হইয়া পডে়ন; এবং এই যে বাঙালীতম লইয়া আমরা অহোরাত্র আস্ফালন করিয়া থাকি, তাহাও অতি ক্ষুদ্র ও শীর্ণ কলেবর ধাবণ করে। এই চতুষ্পার্শস্থ ক্ষুদ্রতার মধ্যস্থলে বিদ্যাসাগরের মূর্ত্তি ধবল পর্বতের ন্যায় শীর্ষ তুলিয়া দণ্ডায়মান থাকে, কাহারও সাধ্য নাই যে, সেই উচ্চ চূড়া অতিক্রম করে বা স্পর্শ করে।" .......
More »আলোর উৎস থেকে বস্তুর দূরত্ব বাড়তে থাকলে আলোর দীপ্তি কমতে থাকে। অবশেষে সেই দীপ্তি আর চোখে পড়ে না। ব্যতিক্রম হল সূর। কোটি কোটি কিলোমিটার দূরে থাকলেও তার দিকে সরাসরি তাকানোর সাহস আমাদের নেই। সূর্য যত দূরে থাক না কেন, তার আলো কখনো ম্লান হয় না। সূর্যের মতো দীপ্তিমান উজ্জ্বল ব্যক্তি হলেন পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। জন্মের ২০০ বছর পরেও যেমন তিনি উজ্জ্বল, সহস্র বছর পরেও সমানভাবে উজ্জ্বল থাকবে তাঁর অমর কীর্তিগুলি। পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু বিদ্যাসাগর নন, তিনি দয়ার সাগর, করুণার সাগর, মানবপ্রীতির সাগর, ক্ষীর সাগর, অমিয় সাগর ও দুঃখের সাগর। বিদগ্ধজনদের বহু পুস্তকে এই বিষয়গুলো বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। আমি তাঁর জন্ম (১৮২০সাল) থেকে মৃত্যু (১৮৯১ সাল) পর্যন্ত এই 'সাত সাগরের' উপাখ্যান ক্রমান্বয়ে সাল-তারিখ ধরে সংক্ষেপে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। উৎসাহী পাঠক-পাঠিকাগণ এই বই থেকে বিদ্যাসাগরের জীবনের নানা ঘটনাবলী একনজরে জানতে পারবেন। .......
More »মেদিনীপুরের ছাত্রদের সঙ্গে কোনভাবেই পেরে উঠলোনা ইংরেজ শক্তি। একে একে মারা গেলেন পেডি, ডগলাস ও বার্জ। ব্রিটিশ পুলিশের লক্ষ ছিল কলিজিয়েট স্কুলের উপরে, কারণ সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল হত্যাকান্ড। প্রমানের অভাবে কিছু করতে না পারলেও, একরকম জোর করেই চিরকালের জন্য মেদিনীপুর ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল কলিজিয়েট স্কুলের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নারায়ণ কুমার মুখোপাধ্যায়কে। আজ থেকে ৮৮ বছর আগে ১৯৩৩ সালে মেদিনীপুর শহর থেকে প্রকাশিত হয়েছিল সেই নারায়ণ কুমার মুখোপাধ্যায়ের লেখা "মেদিনীপুরের সরল ভূগোল"। এই বইটি প্রকাশের আগে বাংলা বা বাংলার কোন জেলার উপরে কোন ভূগোল বই (বাংলা ভাষা'য়) প্রকাশিত হয়েছিল কিনা আমার জানা নাই। একবার ভেবে দেখুন, বর্তমান সময়ে অর্থাৎ ২০২১ সালে অবিভক্ত মেদিনীপুরের বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের জেলার সম্পর্কে কতটুকু জানে ? কিন্তু সেই সময়ে (১৯৩৩ সালে) এই বইটি স্কুলের পাঠ্যপুস্তক ছিল (তৎকালীন ২য়, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর জন্য)। অর্থাৎ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিজের জেলা সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান ছিল। এই বই প্রকাশের পর ৮৮ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু ভূগোল নিয়ে আমাদের জেলা থেকে তেমন কোন উল্লেখযোগ্য বই প্রকাশিত হয়নি। আজ কলিজিয়েট স্কুলের বহু স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক বট গাছের তলায় বইটি আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করলেন নারায়ণ বাবুর স্কুলের (মেদিনীপুর কলিজিয়েট স্কুল) প্রথম প্রধান শিক্ষিকা শ্রীমতি হিমানী পড়িয়া। উপস্থিত ছিলেন ভূগোল বিভাগের শিক্ষক হিমাদ্রি শেখর রায় ও বাংলা বিভাগের শিক্ষিকা শ্রীমতি সানাই পাত্র।.......
More »"মেদিনীপুরের মেদ ও মজ্জায় স্বাধীন ভারত উঠিয়াছে গড়ি। আজি তার কথা গাঁথিয়া গাথায় মেদিনীমাতায় প্রণিপাত করি।" আহা কী সুন্দরভাবে মেদিনীমাতার মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে! 'মেদিনীমঙ্গল'-এর থেকে ভালো কোনও নাম বইটির জন্য ভাবাই যায় না। সার্থক হয়েছে বইটির নামকরণ। মেদিনীপুর মঙ্গলের দেশ। 'চণ্ডীমঙ্গল', 'রসিকমঙ্গল', 'গোবিন্দমঙ্গল', 'সারদামঙ্গল', 'শীতলামঙ্গল', 'ধর্মমঙ্গল', 'নারায়ণমঙ্গল' প্রভৃতি মঙ্গলকাব্য বিভিন্ন সুকবির লেখনীতে সুছন্দে প্রকাশ পেয়েছিল। মঙ্গলকাব্যধারার শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম মেদিনীপুর জেলাতেই তাঁর চণ্ডীমঙ্গল লিখেছিলেন। এছাড়াও সাহিত্যের ক্ষেত্রে বিশেষ মর্যাদায় ভূষিত ধর্মমঙ্গল-এর পটভূমিও আমাদের এই জেলায়। আঠারো শতকের প্রথম দিকে মেদিনীপুর জেলায় রচিত রামেশ্বর ভট্টাচার্যের 'শিবায়ন'ই সর্বাপেক্ষা বেশি জনপ্রিয় শিবমঙ্গল। সেই মঙ্গলকাব্যের ছন্দে (কবিতায়) লেখক গোরাচাঁদ গিরি লিখেছিলেন মেদিনীপুরের ইতিহাস। ৬১ বছর পরে সেই বইটি আবার আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। পুরনো বইটি কেমন ছিল, বোঝানোর জন্য করা হয়েছে ফ্যাক্সিমিলি (facsimile) সংস্করণ। সেই পুরোনো প্রচ্ছদটিকেই ফটোশপে ঘষে-মেজে ব্যবহার করা হয়েছে। ভেতরের পাতাগুলিও ব্যবহার করা হয়েছে আগেকার দিনের মত। বইটি উদ্বোধন করলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি অধিকর্তা শ্রীমতি অনন্যা মজুমদার মহোদয়া।.......
More »শ্রী রামকৃষ্ণ বলেছিলেন―"যত মত তত পথ।" অর্থাৎ নানাভাবে ঈশ্বরকে ভালোবাসা যায়। ঠিক একইভাবে নিজের জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসাও নানাভাবে, নানা কাজের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এই বইটি সেই ভালোবাসার একটি পথ। মাতৃরূপী 'সবং'-কে দেওয়া তাঁর এক সন্তানের অসামান্য উপহার। আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চায় এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন 'সবং: আঞ্চলিক ইতিবৃত্ত'। সম্পাদনা গৌতমকুমার পাত্র। ২০১২ সাল থেকে একনাগাড়ে নিবিড় অনুসন্ধান, ক্ষেত্রসমীক্ষা ও গবেষণার ফলশ্রুতি এই আঞ্চলিক ইতিবৃত্তের গ্রন্থটি। তবে, দুঃখের বিষয়, যাঁর শ্রম ও মেধার ফসল এই বই, সেই গৌতমই চলে যান অকালে। ২০১৯-এর ৯ এপ্রিল। কাজটি না-শেষ করেই। সহসম্পাদকের আন্তরিক প্রচেষ্টায় অবশেষে পূর্ণতা পেল গৌতমের সেই তপস্যা। রঙিন ৭২পাতা-সহ ৯২০ পাতার এই বইটিতে রয়েছে 'সবং' নামক জনপদের ইতিহাস, ভূগোল, পুরা ও প্রত্নতত্ত্ব, মানবসমাজ, লোকসংস্কৃতি, পুথি, লোকশিল্প-হস্তশিল্প-কুটিরশিল্প, ভূমিরাজস্বের বিবর্তন, শিক্ষা-ভাষা-সাহিত্য, আঞ্চলিক শব্দভাণ্ডার, স্বাধীনতা সংগ্রাম, রাজনীতি, মানবউন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য, মৌজার নামকরণের উৎস, প্রসিদ্ধ ব্যক্তি ও বংশ ছাড়াও দুষ্প্রাপ্য ও সংগ্রহযোগ্য অনেককিছুই। রয়েছে মধ্যযুগ থেকে এইসময় পর্যন্ত কীভাবে বদলে বদলে গিয়েছে সবংয়ের মানচিত্র। রয়েছে অতীতের পরগনাভিত্তিক সবংয়ের মৌজাসমূহের অবস্থান। তথ্যনিষ্ঠতাই এই তথ্যপঞ্জি অথবা গেজেটিয়ারধর্মী গ্রন্থটির প্রাণ।.......
More »শThe elders of Pathra village said a proverb – “Siv Mandir chilo unoasi, asi holei hoye jeto Kashi” That is, there were eighty-nine Shiva temples in the village. If it was eighty, it would have been a famous pilgrimage site like Kashi (Varanasi). If only Shiva temple was 79, then how many temples were there in total? We may never get the answer to that question again. At one time, as a result of indigo cultivation and silk cultivation, the landowners in this region became rich. All those landlords built temples in Pathra. However, long before indigo or silk cultivation, this region was rich and had many temples. Evidence of this can be found in the ninth century Vishnulokeshwar idol or 1000 year old Jain temple found in this region. However, the temples of the ninth century or earlier are no more. In this book, the author has tried to explore the history of that Pathra village. Md. Yeasin Pathan He was born on March 4, 1952 in the village of Hatihalka. Father Taharit Pathan and mother Atashi Bibi. Since childhood he wondered at the beauty of ancient temples dotting banks of Kangsabati in Pathra village. But, he was pained at seeing the divine structures being looted by people. Changing course of Kangsabati also obliterated some. While poverty forced him out of studies after class eight, he was unwilling to give up on these temples. Soon after starting efforts to preserve the temples, at the age of 17, he realized his name might as well be his nemesis. He started preaching about the importance of the heritage and how the area could develop into a tourist spot around these temples to bring prosperity to the inhabitants. He was working as a peon in a local school. However, most of his meager earnings and time went toward organizing people and events to spread awareness about the priceless heritage. In 1991, he established the NGO 'Pathra Archaeological Preservation Committee' with Hindus, Muslims and Tribals as members. It provided a platform not only for discussion.......
More »তারাপদ সাঁতরার স্নেহানুকূল্য পাওয়া ইয়াসিন পাঠানের এই পাথরা বাঁচানোর লড়াইটা কিন্তু সহজ ছিল না। তিনি হিন্দুদের কাছে হয়ে উঠেছিলেন ছিলেন `বিধর্মী'। আর নিজের সম্প্রদায়ের কাছে হলেন `কাফের'। ভাগ্যের বিরৃপতা, নিজের সংসারের আর্থিক অনটন, সর্বোপরি, গ্রামের সাধারণ মানুষের পুরাসম্পদ বিষয়ে নিদারুণ উদাসীনতা— সবমিলিয়ে ইয়াসিনকে অতিক্রম করতে হয়েছিল সর্বার্থেই এক দুস্তর পারাবার। তবু তিনি হাল ছাডে়ননি। দাঁতে দাঁত চেপে লড়াইটা করে গেছেন। দিনের পর দিন। বছরের পর বছর। লক্ষ্য একটাই— পাথরার পুনরুজ্জীবন। পাথরা জুডে় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পডে় থাকা দেশের পুরাসম্পদগুলোর সংরক্ষণ। তাদের বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা। তার জন্য উপেক্ষা করেছেন নিজের সংসারের দাবিদাওয়া, চাহিদা। উপেক্ষা করেছেন নিজের ক্ষুধা আর ক্লান্তিকেও। অবশেষে তিনি পেরেছিলেন। তঁার দীর্ঘ লড়াইয়ের স্বীকৃতিস্বরৃপ রাষ্ট্রপতি শঙ্করদয়াল শর্মার হাত থেকে পেয়েছেন `কবীর পুরস্কার' (১৩ আগu ১৯৯৪)। ভারত সরকারের ফিলম ডিভিসনের আর্থিক সহায়তায় তঁার জীবনীকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে কাহিনিচিত্র— `কাণ্ডারী'। ১৯৯৯ সালে তৈরি হয়েছে তথ্যচিত্র— `প্রস্তর প্রণয়` (পরিচালনা: সমীরণ দত্ত)। ভারতের ইতিহাস গবেষণা পর্ষদ তঁাকে দিয়েছে সাম্মানিক ` ডরেট' ডিগ্রি। আরও কত পুরস্কার আর সম্মান তঁার ঝুলিতে। হয়তো এসব কিছু অর্থহীন হয়ে দাঁড়াত, যদি-না তিনি পারতেন পাথরার অবশিষ্ট মন্দিরগুলোকে রক্ষা করতে। পেরেছিলেন। তিনি পেরেছেন। জীবনভর কণ্টকিত পথের শেষে আর অধরা থাকেনি তঁার জীবনের মাধুরী— সেই এক এবং অদ্বিতীয় মন্দিরময় পাথরা। তাঁর লড়াইয়ের ফলস্বরৃপ ভারতের পুরাতত্তম সর্বেক্ষণ বিভাগ এখানকার নবরত্ন, কালাচঁাদ, কাছারিবাড়ি, রাসমঞ্চ প্রভৃতি মিলিয়ে ২৪টি মন্দির অধিগ্রহণ করেছে। জোরকদমে চলছে সেগুলির সংস.......
More »এই কুড়মালি প্রবাদ `আহনা' বা `দাঁতকথা' কিম্বা `ডাকপুরুষর কথা'র ভাষা ভূগোল এবং ভৌগোলিক ক্ষেত্র হলো পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, উড়িষ্যার ময়ুরভঞ্জ, কেঁওঝর, সুন্দরগড় এবং সমগ্র ঝাড়খন্ড রাজ্য কুড়মালি ভাষা ও সংস্কৃতির মূল পরিমণ্ডল হলেও সুদুর রাজস্থান থেকে মধ্য ভারতের ছত্তিশগড় হয়ে আসাম, বাংলা দেশের সীমা, পেরিয়ে ত্রিপুরাতেও কুড়মালি ভাষা সংস্কৃতির সাথে কুড়মালি প্রবাদ `আহনা' আজও বর্ত্তমান। পূর্ব ভারতের একবিশাল ভূখণ্ড জুডে় প্রচলিত রয়েছে কুড়মালি প্রবাদ `আহনা'। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই কুড়মালি প্রবাদ নিয়ে বিশেষ কোন চর্চা আলোচনা বা গবেষণা হয়নি। এদিকে চর্যাপদের ভাষা ও কুড়মালি ভাষার সম্পর্ক বহুধা বিস্তৃত, বহু বৈচিত্রময় এবং গভীর আত্মিক সম্পর্ক সূত্রে আবদ্ধ। আশা করি সুধী পাঠক তা অনুভব করবেন। অথচ যে কোন কারণেই হোক ভারতের এই প্রাচীন ভাষাটি আজও অনেকের কাছে অপরিচিত, অজ্ঞাত, এবং অস্বীকৃতই থেকে গেছে। চর্চা ও গবেষণা তো অলীক কল্পনা মাত্র। তাই ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যের আলোচনায় কুড়মালির আজও কোন স্থান বা উল্লেখ নেই। কুড়মালির পরিচয় আজও একটি আঞ্চলিক ভাষা বা উপভাষা মাত্র। ভাষার সত্তাধিকারে তাই কালনেমির লঙ্কা ভাগের মতই কুড়মালিকে ভাগ করে নিয়েছেন বিভিন্ন ভাষার ভাষাবিদগন। বাংলার ভাষাবিদগন কুড়মালিকে বাংলার উপভাষা বলে দাবি করেন, মগহীর ভাষা বিদ্বানগন মগহীর উপভাষা, ওড়িয়ার ভাষা বিদ্বানগন ওড়িয়ার, মৈথিলীর ভাষা বিদ্বানগন মৈথিলীর উপভাষা বলে সত্তম আরোপ করেন ..........
More »এই কুড়মালি প্রবাদ `আহনা' বা `দাঁতকথা' কিম্বা `ডাকপুরুষর কথা'র ভাষা ভূগোল এবং ভৌগোলিক ক্ষেত্র হলো পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, উড়িষ্যার ময়ুরভঞ্জ, কেঁওঝর, সুন্দরগড় এবং সমগ্র ঝাড়খন্ড রাজ্য কুড়মালি ভাষা ও সংস্কৃতির মূল পরিমণ্ডল হলেও সুদুর রাজস্থান থেকে মধ্য ভারতের ছত্তিশগড় হয়ে আসাম, বাংলা দেশের সীমা, পেরিয়ে ত্রিপুরাতেও কুড়মালি ভাষা সংস্কৃতির সাথে কুড়মালি প্রবাদ `আহনা' আজও বর্ত্তমান। পূর্ব ভারতের একবিশাল ভূখণ্ড জুডে় প্রচলিত রয়েছে কুড়মালি প্রবাদ `আহনা'। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই কুড়মালি প্রবাদ নিয়ে বিশেষ কোন চর্চা আলোচনা বা গবেষণা হয়নি। এদিকে চর্যাপদের ভাষা ও কুড়মালি ভাষার সম্পর্ক বহুধা বিস্তৃত, বহু বৈচিত্রময় এবং গভীর আত্মিক সম্পর্ক সূত্রে আবদ্ধ। আশা করি সুধী পাঠক তা অনুভব করবেন। অথচ যে কোন কারণেই হোক ভারতের এই প্রাচীন ভাষাটি আজও অনেকের কাছে অপরিচিত, অজ্ঞাত, এবং অস্বীকৃতই থেকে গেছে। চর্চা ও গবেষণা তো অলীক কল্পনা মাত্র। তাই ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যের আলোচনায় কুড়মালির আজও কোন স্থান বা উল্লেখ নেই। কুড়মালির পরিচয় আজও একটি আঞ্চলিক ভাষা বা উপভাষা মাত্র। ভাষার সত্তাধিকারে তাই কালনেমির লঙ্কা ভাগের মতই কুড়মালিকে ভাগ করে নিয়েছেন বিভিন্ন ভাষার ভাষাবিদগন। বাংলার ভাষাবিদগন কুড়মালিকে বাংলার উপভাষা বলে দাবি করেন, মগহীর ভাষা বিদ্বানগন মগহীর উপভাষা, ওড়িয়ার ভাষা বিদ্বানগন ওড়িয়ার, মৈথিলীর ভাষা বিদ্বানগন মৈথিলীর উপভাষা বলে সত্তম আরোপ করেন ..........
More »অরণ্য এবং পর্বতের দ্বারা আবৃত যে দেশ তাহাই ঝারিখণ্ড (ঝাড়খণ্ড) নামে খ্যাত। রাঢ়ভূমি, গঙ্গারাঢ় এবং অটবীরাজ্য নামেও তাহা পরিচিত ছিল। পার্শ্বনাথ এবং বর্ধমান এই দুই তীর্থঙ্কর নির্বাচনের জন্য এই দেশে আসিয়াছিলেন আর ভগবান বুদ্ধ এবং শ্রীচৈতন্যের পদরেণুতে সেই দেশ পবিত্র।। বর্তমানে ঝাড়খণ্ড নামটি আমাদের নিকট খুবই পরিচিত। তবে ঝাড়খণ্ড নামটি কিন্তু নূতন নয়। চৈতন্য মহাপ্রভুর সময় এই অঞ্চল এই নামেই পরিচিত ছিল। শুদ্ধ বৈষ্ণবীর বাঙলায় ঝাড়খণ্ড অভিহিত হইয়াছিল ঝারিখণ্ড নামে। এই ঝারিখণ্ড চিরকালই অবহেলিত হইয়া আসিয়াছে; অরণ্যভূমি বলিয়া তথাকথিত সুসভ্য মানুষের পদচিহ্ন খুব কমই পড়িয়াছে এই অঞ্চলে। অথচ কেন কি জানি ব্রাহ্মণ ও বেদবিরোধী দর্শনের প্রচারকরা এই অঞ্চলকেই তাহাদের দুর্গ বলিয়া মনে করিতেন। ২৩শ জৈন তীর্থঙ্কর পার্শ্বনাথ ধর্মপ্রচার ও জ্ঞানের উদ্দেশ্যে এই স্থানে কাটাইয়া পার্শ্বনাথ পাহাড়ে নির্বাণ লাভ করেন। ২৪শ জৈন তীর্থঙ্কর মহাবীর বা বর্ধমানস্বামী জৈনধর্ম প্রচার কল্পে শিষ্যবৃন্দসহ দ্বাদশ বৎসর `লাড়া' বা `রাঢ়' ভূমিতে ভ্রমণ করিয়াছিলেন। বর্ধমানভুক্তি বা বর্তমান বর্ধমান এই স্থান-নাম তাঁহার পুণ্যস্মৃতি বহন করিতেছে। ৫৪৭ সংখ্যক বিশ্বম্ভর জাতকের কাহিনী অনুসারে ভগবান বুদ্ধ তাঁহার পূর্ব-জন্মে বেশান্তর (বিশ্বম্ভর) জাতকের দয়াল রাজপুত্র হিসাবে জন্ম গ্রহণ করেন। দানশীলতার জন্য, যাহাতে ভবিষ্যতে রাজ্য দেউলিয়া না হইয়া যায় সেই কথা বিবেচনা করিয়া প্রজাদের নির্দেশে পিতা তাঁহাকে রাজ্যের বাহিরে নির্বাসন দেন। কিন্তু বেশিদূর যাইতে না যাইতেই এই দানশীল রাজপুত্র প্রথমত তাঁহার সালঙ্কারা হাতি, তাহার পর স্ত্রী ও পুত্রকন্যাকে অভাবী মানুষের সেবায় দান করেন এবং বঙ্কুগিরি পাহাড়ে তপস্যায় রত অবস্থায় মারা যান। এই বঙ্কুগিরিই ..........
More »এই গ্রন্থটিতে এমন এক ব্যক্তির জীবন কাহিনী বর্ণিত হয়েছে যিনি সারা বিশ্বের মানুষের কাছে এক বর্ণময় চরিত্রের মানুষ হিসাবে পরিচিত। তাঁর জীবনের আর্থিক অনটন, নানা দুঃখ-কষ্ট তাঁকে সারা জীবন নিরামিষাশী হতে বাধ্য করেছিল। তবুও জীবনের সেই বাধা-বিঘ্ন, তর্ক-বিতর্ক সরিয়ে তাঁর সাফল্য ও উত্তরণের নানা কাহিনী যেন এক তীর্থযাত্রা। ছোটবেলায় সমুদ্রের ধারে ঝিনুক বিক্রি করে একদিন তিনি ভারতরত্ন হয়েছেন। দেশের রাষ্ট্রপতি হয়েও আসমুদ্র হিমাচল দেশের সকল মানুষের কাছে তিনি সাধারণ মানুষ হিসাবেই পরিচিত। কর্মজীবনে ভারতকে উন্নয়ণশীল দেশ থেকে উন্নতদেশে পরিণত করার নিরলস চেষ্টা করেছেন। ছাত্রজীবনে বহু সংগ্রাম করেছেন। তাই হয়তো ছাত্রছাত্রীদের খুব ভালোবাসতেন। তাঁর জীবনের নানা উপদেশ, বাণী ছাত্র-শিক্ষক সাধারণ মানুষকে আজও অনুপ্রাণিত করে। এই গ্রন্থটি তাঁর ঝিনুক থেকে রত্ন হওয়ার জীবন প্রদীপ। ..........
More »দাসপুরের জানা-অজানা ইতিহাসের খোজে একসময় গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়িয়েছেন পঞ্চানন রায় কাব্যতীর্থ, ডেভিড ম্যাক্বচ্চেন, তারাপদ সাঁতরা,অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রণব রায়, ত্রিপুরা বসু প্রমুখেরা। এখানো অনেক তরুণ সেই কাজ করে যাচ্ছেন। পুরোনো মন্দির, মাজার, মসজিদ এবং নতুন নির্মিত মন্দির-মসজিদের অমোঘ আকর্ষণে সেসবের সামনে দাঁড়িয়ে পূর্বপুরুষদের ধর্মীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ঐতিহাসিক অলংকরণে ব্যবহৃত টেরেকোটা মুর্তি সমূহের বাংলার আবহাওয়ায় অনাদরে অবহেলায় শত শত বছর টিকে থাকার ক্ষমতা আমাদের অবাক করে দেয়। এইসব অখ্যাত গ্রাম্য শিল্পীদের পোড়ামাটির মূর্তি নির্মাণের প্রযুক্তি আবিষ্কার তাদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবনত করে। মূর্তিগুলির অভিব্যক্তি, পরিমিতিবোধ, গল্প বলার দক্ষতা, ধর্মীয় ও সামাজিক শিক্ষা দেওয়ার প্রচেষ্টা আমাদের বিস্ময়ে বিমূঢ় করে। এই গ্রন্থে সনিবেশিত কিছু লেখা ঘাটাল মহকুমার বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। সেগুলি গ্রন্থে সন্নিবেশিত করার সময় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হল। এ প্রসঙ্গে জানাই, সৃজন পত্রিকার সম্পাদক লক্ষ্মণ কর্মকারের কাছে আমি অশেষ খণী। আঞ্চলিক বিষয়ের উপর লেখার জন্য তিনি নিরবিচ্ছিন উৎসাহ দিয়ে গেছেন এবং তার পত্রিকায় লেখাগুলি প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও কোরাস, এই সময়, দেশবন্দনা, মহুল প্রমুখ পত্রিকার সম্পাদকেরা তাদের পত্রিকায় আমাকে আঞ্চলিক বিষয়ে লেখার সুযোগ দিয়ে উৎসাহিত করেছেন। এঁদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। পূর্বতন ঐতিহাসিকগণ দাসপুরের ইতিহাস লিপিবদ্ধ করার যে কাজ শুরু করে গিয়েছিলেন তার পূর্ণতা দেওয়ার দায়িত্ব পরবর্তী প্রজন্মের উপরে স্বাভাবিক ভাবেই বর্তায়। আমার লেখা পড়ে আঞ্চলিক ইতিহাস অনুরাগী কেউ এ ব্যাপারে সামান্যতম উৎসাহিত হলে আমার লেখা সার্থক হবে। ..........
More »`শাল মহুয়ার দিন' ঐতিহাসিক উপন্যাস নয়। বরং একটি জমিদারবংশের পারিবারিক আখ্যান। কিন্তু এই রচনার প্রতিটি শব্দে প্রতিটি বাক্যে মিশে আছে মেদিনীপুর জেলার এক বিশেষ সময়কাল। জেলার মধ্য অঞ্চলের এক বিশাল অংশের মানুষের সমগ্র জীবনচর্যা জলছবির মত ফুটে আছে গ্রন্থটির পাতায় পাতায়। রাজা-জমিদার, তাঁদের অমাত্যবর্গ, লোকলস্কর, সেই সময়ের সম্পন্ন ও অভাবী প্রজামণ্ডলী, ইংরেজ রাজপুরুষেরা– সকলেরই অবাধ বিচরণ আছে এই কাহিনীতে। রচয়িতা বিজয় কুমার মণ্ডল প্রতিষ্ঠিত উপন্যাসকার নন। উপন্যাস রচনার প্রথাসিদ্ধ রীতি-নীতি এখান অনুসৃত হয়েছে, এত বড় দাবী করাও যায় না। অপরদিকে, শুধুমাত্র বাস্তব কিছু ঘটনা, কিছু চরিত্র দিয়ে এই উপন্যাসের কাহিনী রচিত হয়নি। একটি বিশেষ সময়কালের একটি বিশেষ এলাকার রাজা-জমিদার থেকে সাধারণ প্রজা– সকলের জীবনকথা ধরা হয়েছে এখানে। পোষাক-পরিচ্ছদ, আহার-বিহার, লেৌকিক রীতি-নীতি, আচার-বিচার, পূজা-আচ্চা– সবকিছুরই রক্ত-মাংস দিয়ে গড়া হয়েছে শাল মহুয়ার কাহিনী। কেবল ইতিহাসের গবেষক নয়, সমাজতত্ত্ব আর নৃতত্ত্বের গবেষক কিংবা সাধারণ অনুসন্ধানীরাও বহু উপাদানের সন্ধান পাবেন এই গ্রন্থে। জেলার আঞ্চলিক ইতিহাসের চর্চায় এটির মূল্য অপরিসীম। `শাল মহুয়ার দিন' প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল বাংলা সন ১৩৯৩ সালে। মাননীয় অধ্যাপক অশোক কুমার মুখোপাধ্যায়ের তৎপর উদ্যোগে। সাড়ে তিন দশকও অতিক্রান্ত হয়নি। কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ পাঠকেরই প্রায় অপরিচিত এই উপন্যাস। অথচ, মেদিনীপুর জেলার ইতিহাস জানতে, এই উপন্যাসের কোনও জুড়ি নাই। এদিকে, কেবল প্রবীনরাই জেলার অতীতকথা জানতে চান, তেমনটা নয়। বর্তমান প্রজন্মেরও অনেকেই আঞ্চলিক ইতিহাস সন্ধানে সবিশেষ আগ্রহী। এই বিবেচনাতেই, গ্রন্থটিকে পুণরায় সাহিত্যের অঙ্গনে আনতে চেয়েছেন প্রকাশক। ..........
More »This work is confined within the District, with minute details, including legends, cause of adoring, rites and rituals, place of offering and sacrifice, social anthropology of the community of the worshipers , influence of Hindu and Tantrik precept; in local terminology but restrained from detail citation of the hymns, songs, verses and their criticism; these will be taken up in another book, Folk And Regional Cultural Products of Medinipur District. The work is processed on the basis of field survey comparing with precept and other works. Chapter 1 Evil Power Deities Sitala12 Monosa or Bishari24 Chandi35 Kali41 Olai Chondi / Olabibi49 Melani Masi53 Masi Pisi53 Panchrah Magi54 Ghetu 54 Hajra Thakur55 Bosun Buri55 Chirkun56 Jhaphri burhi 56 Charchokhi56 Birjhapri /Birjhaparh56 Sargo Bauri57 Sannnsi Baba 57 Brahmadaitya57 Brahmachary 58 Goshai 58 Bhangpona 59 Burha Kudra 59 Soni Thakur (Saturn)60 Kachari of Bhut62 Panchu-Panchi62 Kandhakata62 Baghut63 Gaburdeb & Kumirdeb64 Daxinray65 Kumir puja 68 Hati Dhara Ma69 Dakai Buri72 Sabitry 72 Sungai73 Chapter 2 Deities in between malevolent and benevolent state Bisalakhi or Ayotakhy 75 Makal / Aat Makal80 Brhama 81 Mangala /Sapta Mangala /Sarba Mangala83 Vabani 84 Kalshonda Ma85 Pukhuria Buri & Other doubtful Deities85 Pathra Buri 85 Charham Buri 85 Sanathkumari 85 Chamathkarini86 Kanak Durga86 Vima debi 86 Barga Vima86 Brhamani, Rudrani and Indrani 86 Phonrhasura 87 Siva and types of tribute to the deity 88 Mohakal 94 Vairab95 Dharmo-Thakur96 Chapter-3 Local deities of unknown base and their changing profile Bonkumari 101 Fulmoni 101 Meki Buri 101 Haria Buri 101 Bhartya Buri ..........
More »দীর্ঘকাল ধর ছোটনাগপুর সংলগ্ন অরণ্যময় জঙ্গলমহলে বসবাসকারী আদিবাসীদের একটি জাতি কুর্মি বা কুড়মি/মাহাত সম্প্রদায়। একসময় সমস্ত আদিবাসীরা সংঘবদ্ধভাবে একই ধরনের সমাজরীতির মধ্যে সমন্বয়ী একতা নিয়ে বসবাস করতেন। ইংরেজ শাসনকালে এই আদিবাসী শক্তির একত্রিত আন্দোলনে সন্ত্রস্ত হয়ে প্রথমে জঙ্গলমহল জেলা, পরে জঙ্গলমহল ভেঙে মানভূম জেলা করে বিহার, উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী আদিবাসীদের বারবার বিভক্ত করার চেষ্টা অব্যাহত থাকে। উত্তরকালে মানভূম জেলার অবলুপ্তি ঘটিয়ে অরণ্যবাসী এই সংগঠিত আদি সম্প্রদায়গুলিকে নানা ভেৌগালিক ভাগে ভেঙে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া জেলার সৃষ্টি হয়। জঙ্গলমহলের অখণ্ডত্ব এভাবেই বিহার, উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে বিহার ভেঙে আবার ঝাড়খণ্ড রাজ্য গডে় উঠে। এই বিভাজনে অন্যান্য আদিবাসী সম্প্রদায়ের মতোই কুর্মি সম্প্রদায়ও বিভিন্ন ভেৌগোলিক সীমায় বিচ্ছিন্ন হয়েছে। কিন্তু নতুন গডে় ওঠা ঝাড়খণ্ড রাজ্যের প্রধান সম্প্রদায় কুর্মি হওয়া সত্ত্বেও তাঁরা স্বাধীন ভারতে নানা ভাবে বঞ্চিত। জীবনচর্যা, ভাষা ও সংস্কৃতিতে কুর্মি বা কুড়মিরা অরণ্যাঞ্চলে বসবাসী অন্যান্য আদিবাসীদের মতো হলেও স্বাধীন ভারতে তাঁরা আজও তপসিলী জাতি, উপজাতির কোনও স্বীকৃতিই পায়নি। বরং আদিবাসীদের অখণ্ড ঐক্যে বিচ্ছিন্নতা আনার জন্য কুর্মি বিরোধী আন্দোলন জোরদার হয়ে উঠেছে। সমস্ত আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে এই কুর্মি বা কুড়মি সম্প্রদায়ের মানুষ অনেকখানি এগিয়ে। এই এগিয়ে থাকার অর্থ আধুনিক আর্য সংস্কৃতির আত্মীকরণে তাঁরা অগ্রণী। যদিও আজকের দিনে সব আদিবাসী সম্প্রদায়ই চেষ্টা করছেন এই অগ্রণী সংস্কৃতি গ্রহণ করতে। ভেৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে সমস্ত অরণ্যময় ...........
More »স্বাধীনতা আন্দোলনে ঘাটাল মহকুমা বইটি সংগ্রহ করতে চাইলে এমাজন থেকে কিনতে পারেন অথবা আপনি চাইলে সরাসরি আপনার ঠিকানায় কুরিয়ারের মাধ্যমেও পাঠিয়ে দিতে পারি। ..........
More »রবীন্দ্রউক্তি 'দেশের কাব্যে গঠনে ছড়ায়...' ছিল যাঁর ইষ্টমন্ত্র, বাংলার ইতিহাস-পুরাতত্ত্ব ছিল য়াঁর স্বপ্ন আর সাধনা, সেই বিশিষ্ট প্রত্নতাত্ত্বিক, লোকসংস্কৃতিবিদ তারাপদ সাঁতরার সঙ্গে প্রথম পরিচয় আর ঘনিষ্ঠতার যোগসূত্র ছিলেন আমাদের পাশের গ্রাম বাসুদেবপুরের বিশিষ্ট পন্ডিত ও তাত্ত্বিক মানুষ পঞ্চানন রায়। তাঁর প্রদর্শিত পথ ধরেই বঙ্গ-সংস্কৃতির হারানো সম্পদ আর ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা শুরু। তার প্রতি আমার অকপট শ্রদ্ধা। সময়টা সাতের দশকের গোড়ার দিক। সেটা পৌষের এক শীতমাখা, কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল। কিন্তু প্রথম আলাপের পর থেকেই তারাপদবাবু কি যেন একটা নিবিড় ভালবাসায় আমার মতো নিতান্ত সাহিত্য সংস্কৃতি প্রেমীকে কাছে টেনে নিয়েছিলেন, অনুসন্ধান আর গবেষণার পথ দেখিয়েছিলেন একজন অভিভাবকের মতো, আজও যেন আর তার ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। যতদিন তাঁর কাছাকাছি থাকার সৌভাগ্য হয়ছিল, বোঝা যায়নি মানুষটি কতো বডে়া, বিপুল তাঁর জ্ঞান ভান্ডার আর কর্মদক্ষতা। তিনি সারা বাংলায় নিজের কাজ ও 'কৌশিকী' পত্রিকার মাধ্যমে তৈরি করে গেছেন একটি ক্ষেত্র সমীক্ষার ঘরাণা, যার ছত্রছায়ায় এসে দাঁড়িয়েছেন তাবৎ বাংলার উত্তর থেকে দক্ষিণের শত শত গবেষক, ক্ষেত্র সমীক্ষক, অনুসন্ধানীজনেরা। তিনিই দেখিয়ে দিয়ে গেছেন, শুধু গ্রন্থাগারের প্রকোষ্ঠে বসে দেশের অপসৃয়মান ঐতিহ্যের সন্ধান আর মূল্যায়ন হয় না, চাক্ষুষ করতে হয় সরেজমিনে। এখানেই তারাপদ সাঁতরার কৃতিত্ব, মহত্ব। অবশ্য আজও তাঁর কর্মকুশলতার যথাযথ মূল্যায়ণ হয়েছে কতটুকু, সে প্রশ্নটা জাগেই। আজ তিনি নেই। রেখে গেছেন তাঁর বিপুল কর্মসম্পদ। ইতিহাস-পুরাতত্ত্ব-লোকসংস্কৃতি গবেষণার জগতে তিনি চিরস্মরণীয় ব্যাক্তিত্ব। আমার মতো তুচ্ছ-নগণ্য একজন গবেষক তাঁর সাহচর্য আর সহযোগিতা যেটুকু পেয়েছি তাতে ভর করেই উঠে ..........
More »প্রকাশিত হল যুধিষ্টির জানা সম্পাদিত (মালিবুড়ো) সূর্যদেশ পত্রিকার সংকলন গ্রন্থ। ভবিষ্যৎকে সমৃদ্ধ করতে হলে অতীতকে বাঁচাতে হবে। অতীত সম্পর্কে আমরা জানতে পারি মূলত বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত গ্রন্থ থেকে। গ্রন্থের পাশাপাশি আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সাময়িক পত্র-পত্রিকাগুলির। সাধারণত গ্রন্থ বা বই প্রকাশের বহু বছর পরেও আমরা সেই বইটি কোন গ্রন্থাগার বা ব্যাক্তিগত সংগ্রহ থেকে পেতে পারি। কিন্তু পত্রিকাগুলি প্রকাশের কয়েক বছর পর থেকেই আর পাওয়া যায় না। অথচ এই সমস্ত পত্র-পত্রিকার সঙ্গে হারিয়ে যায় ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এখনো আমাদের জেলায় এমন কিছু পত্রিকা আছে যেগুলির গুরুত্ব আঞ্চলিক ইতিহাসের ক্ষেত্রে অপরিসীম। সেই পত্রিকাগুলির অবিলম্বে সংরক্ষণ প্রয়োজন, কিন্তু কিভাবে ? কারণ আমাদের জেলায় এগুলি সংরক্ষণের জন্য তেমন কোন সংগ্রহশালা নেই। তাছাড়া সংগ্রহশালায় থাকলে, তা সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য দেওয়া সম্ভব নয়। সেই ভাবনা থেকেই মনের মধ্যে একটি পরিকল্পনা আসে। ঠিক করি অতীতের গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকাগুলিকে (আঞ্চলিক ইতিহাসের জন্য যেগুলি গুরুত্বপূর্ণ) একত্রে গ্রন্থাকারে পুনরায় প্রকাশ করব। এর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি যেমন সংরক্ষণ করা হবে তেমনই পত্রিকাগুলিও সবার কাছে সহজেই পৌঁছে দেওয়া যাবে। ভাবনা অনুযায়ী কাজ শুরু করলাম, কিন্তু শুরুতেই সমস্যার সম্মুখীন হলাম। খুঁজতে গিয়ে অধিকাংশ পত্রিকাই পেলাম না। যেমন পেলাম না মেদিনীপুর জেলার প্রথম সংবাদপত্রটি। ‘Midnapur & Hijli Guardian’ বা 'মেদিনীপুর ও হিজলী অঞ্চলের অধ্যক্ষ' নামে দ্বিভাষিক পত্রিকাটি, ১৮৫১ সালে একসঙ্গে মেদিনীপুর শহর ও হিজলী থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। যাইহোক, যেগুলি পেয়েছি তার মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম প্রকাশিত হল সূর্যদেশ। প্রথম বর্ষের ১২ টি সংখ্যা নিয়ে ৬২০ পৃষ্ঠার এই পুস্তক। সংরক্ষণের কথা মাথায় রেখে বইটি ফ্যাক্সিমিলি (facsimile) করা হয়েছে। অর্থাৎ কোনকিছুই বাদ যায়নি। যেমন ধরুন নানা ধরণের বিজ্ঞাপন - তমলুকের শাহ ফার্নিচার, পুতপুতিয়া গ্রামের বিবেকানন্দ পুস্তকালয়, কলকাতার ভোলানাথ প্রকাশনী, তমলুকের ভীম বাজারের শ্যামসুন্দর টি হাউস, নন্দকুমারের তমসা বেকারী, ঝাড়গ্রাম সেবায়তন থেকে প্রকাশিত সৎসঙ্গ বার্তা, তমলুকের স্বর্ণশিল্পী ও মনিকার সরোজ কুমার দে এন্ড সন্স, নন্দকুমারের শর্মা ওয়াচ কোং, কোলাঘাটের অমর আয়ুর্বেদ ভবন বা পাঁশকুড়া স্টেশন বাজারের পল্লীশ্রী পুস্তকালয়। আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষকদের কাছে এগুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ভ্রমণ ইত্যাদি ছাড়াও এই পত্রিকার উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলি হল আঞ্চলিক ইতিহাস, আঞ্চলিক সংস্কৃতি, আঞ্চলিক উৎসব, আঞ্চলিক ভাষা, আঞ্চলিক ভ্রমণ ইত্যাদি। উদহারণ স্বরূপ বলা যায় অক্ষয় কুমার কয়াল-এর "দ্বিজ নিত্যানন্দের কালুরায় মঙ্গল (প্রবন্ধ)", বেনু গঙ্গোপাধ্যায়-এর মল্লভূম থেকে দ্রোণভূম (ভ্রমণ), অজন্তায় তাম্রলিপ্তের স্মৃতি - শম্ভুনাথ ঘটক, বিবাহে মেয়েলী গীত - ডক্টর আশুতোষ ভট্টাচার্য, মূসলমানী বিবাহ সংগীত (প্রবন্ধ) - ময়ূরভট্ট, তমলুকে যুব উৎসব, হিজলীর উপভাষা (প্রবন্ধ) - অক্ষয়কুমার কয়াল, ময়নার ইতিবৃত্ত (ইতিহাস) - সুকুমার মাইতি ইত্যাদি। হার্ড কভার (সিল্ক কাপড়ের বাঁধাই), ওজন ১০০০ গ্রাম, ৬২০ পৃষ্ঠা, মুদ্রিত মূল্য ৭৫০/-, বিনিময় মূল্য - ৬৩৭/- (কোন শিপিং চার্জ ছাড়াই ভারতের যে কোন জায়গায় পৌঁছে দেওয়া হবে) ৬ পৃষ্ঠা সূচিপত্র দেখতে চাইলে কমেন্ট করুন। ..........
More »বঙ্গ-কলিঙ্গের উপকূলবর্তী ভূখণ্ডের নিসর্গ জনপদের কোলে বেড়ে ওঠা আমি এক ইতিহাস-বিবাগী পথিক । অথচ ইতিহাস আমার জীবনকে বারবার নাড়া দিয়েছে । ইতিহাস আমাকে দিয়েছে প্রতিষ্ঠা, দিয়েছে সম্মান । জীবনের চড়াই - উতরাই পথে ভালোমন্দের দোলাচলে ইতিহাস পড়েছি এবং কর্মজীবনে একজন সাধারণ শিক্ষক হিসেবে পড়িয়ে চলেছি সেই ইতিহাস । কিন্তু ফেলে - আসা আমাদের অতীতকে পড়া বা পড়ানোর চাইতে তাকে নিজের মতো করে খোঁজার অনাবিল আনন্দ অনুভব করলাম, যখন জন্মভূমির টানে ‘বীরকুলে বীরগাথা’লিখতে গিয়ে চারপাশের মূক হয়ে থাকা ইতিহাস সাক্ষীকে প্রত্যক্ষ করলাম । প্রতিক্ষণেই রবিঠাকুরের সেই অক্ষেপবাণী হৃদয় কন্দরে অনুরণিত হতে লাগলো –“দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া; ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া, ..... ।”তাই আপন চেতনার রঙে রাঙিয়ে পান্নাকে দেখতে চাইলাম সবুজ চেহারায় । সেই চাওয়ার – সেই অক্ষেপ মেটানোর আমার যৎকিঞ্চিত প্রয়াস–‘বীরকুলে বীরগাথা’। বীরকুল পরগণা ইতিহাসে এক উপেক্ষিত জনপদ; অথচ ভৌগোলিক, রাজনৈতিক, আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে এমনকি, দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী বাংলার যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ ভূখণ্ড–'দক্ষিণ-পশ্চিমের দুয়ার'। এই সত্য ও তথ্য সুদূর অতীত থেকে অদ্যাবধি ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত ও প্রমাণিত । কিন্তু এই ভূক্ষেত্রের আন্তর্জাতিকতা, মায়াবী লাবণ্য, সীমান্ত উদারতার সন্ধিস্থল, সীমান্ত জিঘাংসার রক্তিমতা ও বীরত্বব্যঞ্জক ইতিহাস যেটুকু উপেক্ষিত ও উন্মোচিত তা অসংগঠিত, বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছিন্ন । এ এক নির্মম পীড়ন; পাশাপাশি আমার এই সীমায়িত প্রয়াসের অনুপ্রেরণাও বটে । আধুনিক ইতিহাস চিন্তার ধাত্রীভূমি ইওরোপে বিগত বিংশ শতকের ছয়-এর দশকে ইতিহাসচর্চা বৈচিত্র্যপূর্ণ ও সর্বগামিতায় উন্মুক্ত .....
More »মেদিনীপুরের মানুষ বেশি খায়,মেদিনীপুরের মানুষ টক খায়, ওখানকার মানুষ সব একসঙ্গে মাখিয়ে খায়'— এরকম কত কাহিনি কিংবা রসিকতা শুনতে হয় অখণ্ড মেদিনীপুরের মানুষদের বিশেষভাবে জেলার গ্রামের মানুষদের। সবসময় যে এই কথাগুলো খুব ভেবেচিন্তে হয়, তা হয়তো নয়, কিন্তু এটার মধ্যে একটা অবজ্ঞা থাকে। আসলে আমরা একে অপরের খাবারের কথা জানি না, জানি না স্থানিক সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য যা ওখানকার মানুষের সত্তার অংশ। তাই, অবচেতনে তৈরি হয় স্টিরিওটাইপ অবজ্ঞা। খাদ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকে কাঁচামাল যোগাড় করা, আনাজ কোটা, বাটনা বাটা, পরিবেশন করা সবকিছু। সবটাই একটা জীবনের কাহিনি। সেই কাহিনির পরতে পরতে থাকে ভালোলাগা, ভালোবাসা। সবমিলিয়ে খাদ্যকে ঘিরে আমাদের পথচলা হয় জোরালো। প্রতিটা জনপদের খাদ্যাভ্যাস আলাদা। একটা স্থানিক বৈশিষ্ট্য থাকেই। যে কোনও মানুষের খাদ্যাভ্যাস তৈরির পেছনে থাকে ভৌগোলিক অবস্থান, জলবায়ু, পরিশ্রমের ধরন, কাজের প্রকৃতি, পরিবারের গড়ন প্রভৃতি নানাকিছু। স্বাভাবিকভাবেই অখণ্ড মেদিনীপুরের (অধুনা পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম জেলা) মানুষদের জীবনেও এইসবের প্রভাব পডে়ছে। সেই প্রভাব থেকেই খাবারের পরিমাণ, রুচি সবটাই নিয়ন্ত্রিত। এই প্রভাব, পরিণ্ডল সবটা বোঝার জন্যই প্রয়োজন হল `মেদিনীপুরের লোকখাদ্য' গ্রন্থটি রচনার। যদিও শুধু মেদিনীপুরের নয় একধরনের খাদ্যাভ্যাস গোটা দক্ষিণবঙ্গের। সাধারণভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, পূর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বীরভূমের মানুষেরা একরকম খাদ্য গ্রহণ করেন। তবে, সামান্য কিছু তফাৎ থাকেই। বিশেষ করে নাম, উচ্চারণ এবং স্বাদের তফাৎ থাকে। মেদিনীপুরে বসবাসকারী আদিবাসীদের খাবার নিয়ে আলাদা করে আলোচনা করার চেষ্টা হল। মুসলিমদের কিছু খাবার আলাদা, তাই .....
More »ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে মেদিনীপুরের ভূমিকা শীর্ষস্থানীয়। জেলার একাংশ কাঁথি মহকুমার থানা পটাশপুর ছিল তার যোগ্য শরিক। বঙ্গভঙ্গ থেকে ভারত ছাড়ো আন্দোলন পর্যন্ত সংগ্রামের প্রতিটি পর্যায়ে এই থানাবাসী যে নির্ভীকতা ও দুঃসাহস, ত্যাগ ও যন্ত্রনাবরণ, এমন কি প্রাণ দানের দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, তা সকল কালে সমগ্র মানবজাতির দেশপ্রেমের দীপ্ত উত্তরাধিকার। এই থানার তরুণেরাই লবণ সত্যাগ্রহে জেলার মধ্যে প্রথম পুলিশের গুলিতে আত্মাহুতি দিয়েছেন। এই থানার বীরাঙ্গনাদের সংগ্রামী উত্থানকে দমন করতেই বোধ করি জেলার মধ্যে সর্বাধিক ধর্ষণের ঘটনা এখানে। জেলার মধ্যে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে মাত্র তিনটি থানা এসেছিল সংগ্রামীদের দখলে, তাও বিনা রক্তপাতে। পটাশপুর তাদের মধ্যে একটি। থানা দখলের পর এখানে স্থাপিত হয় খেজুরী থানার মত এক জাতীয় সরকার। বহুকীর্তি খচিত স্বাধীনতা সংগ্রামের এই ইতিহাস রচনা করেছেন এই থানারই তিন বরেণ্য স্বাধীনতা সংগ্রামী। অন্যান ভাগের সঙ্গে যুক্ত আছে পুরুষ ও মহিলা স্বাধীনতা সংগ্রামীদের তালিকা, কয়েকজন নেতার জীবনকথা, ব্রিটিশ কাহিনী কতৃক গৃহদাহ ও নির্যাতিতা মহিলাদের তালিকা, স্বাধীন জাতীয় সরকারের কার্য বিবরনী ইত্যাদি। ১৯৮৮-তে প্রকাশিত বইটি সেদিন পাঠক সমাজে বিপুল সাড়া জাগিয়েছিল। তাই অল্প দিনেই নিঃশেষিত হয়ে যায় সমস্ত বই। বহুজনের আগ্রহকে মর্যাদা দিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর বইটি আবার প্রকাশিত হল। এই গৌরবময় ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও দেশ সেবায় উদ্বুদ্ধ করবে, এই আমাদের বিশ্বাস।.....
More »১৯৬৯ সালে স্কুল ফাইনাল পরীক্ষায় (বর্তমানে, মাধ্যমিক পরীক্ষার সমতুল্য) পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছিলেন শূন্য থেকে শুরু করা তরুণ নারায়ণ চন্দ্র রানা। পিএইচডি গবেষণায় সেরা থিসিসের জন্য তিনি ভারত সরকারের 'ইয়ং সায়েন্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড' জিতেছিলেন ১৯৮৩ সালে। ২৪ অক্টোবর ১৯৯৫ সালে ঘটা বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের সময় ৯৯.৬ শতাংশ সূর্যের নিঁখুত ব্যাস পরিমাপ করে বিশ্বব্যাপী সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন ক্ষণজন্মা এই বিজ্ঞানী। কেবল শরীর থাকলেই মানুষ হওয়া যায় না। আবার মন আছে বলে মানুষ — এমনটাও নয়। বিশ্বাসে সত্যনারায়ণ পূজো করলেই গৃহশান্তি হয় না। বিশ্বাসের এক নাম ঈশ্বর। ধনী বা বড়লোকের ঈশ্বর দরকার— কারণ, ওটা ছাড়া তাদের সবই আছে। হতদরিদ্রদেরও ঈশ্বর দরকার, কারণ ওটা ছাড়া তাদের কিছুই নেই। এজন্য হতদরিদ্র রানা পরিবারের সন্তানের নাম রাখা হয় 'নারায়ণ' (ঈশ্বরের প্রতিভূ)। অখণ্ড মেদিনীপুর জেলার সাউরি গ্রামে রানা পরিবারের বাস। 'মহাশূন্যের ওপার থেকে কী সংগীত ভেসে আসে!' এই 'শূন্য' পরিবারে ১৯৫৪ সালে ১২ অক্টোবর যে সংগীতের জন্ম হয়েছিল, তার নাম নারায়ণ চন্দ্র রানা। ধন নয়, মান নয়, কেবল মেধার নিরীখে 'নারায়ণ' জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছে। নিজের স্বল্পায়ু জীবনকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে রেখে মহাকাশের সলমাজরির মধ্যে মিশে গেছে নারায়ণ; বয়স তখন বিয়াল্লিশের কোঠায়।.....
More »৯৪ বছর বয়স। এখনো তিনি রোপন করেন ধানের চারা। ভারতের হয়ে কৃষি উপদেষ্টা রূপে গেছেন অন্য দেশে। ব্রিটিশ ভারতে প্রতিকূল আর্থ-সামাজিক পরিবেশে, খেজুরীর প্রত্যন্ত কশাড়িয়া গ্রাম থেকে জীবন শুরু করে, হয়েছেন সংকরায়ণের মাধ্যমে সবুজ বিপ্লবের অন্যতম কাণ্ডারী কৃষিবিজ্ঞানী। তিনি রামচন্দ্র মণ্ডল, তাঁকে নিয়েই মিডনাপুর-ডট-ইন -এর প্রকাশনা বিভাগ অরিন্দম'স -এর এই বই। বিজ্ঞানী রামচন্দ্র মণ্ডল-এর আটপৌরে জীবনের বাস্তব দলিল প্রকাশিত হল তাঁর ৯৫-তম জন্মদিনে (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩)।.....
More »দাসপুরের যাত্রা ও নাট্যশিল্প - প্রকাশিত হল নাট্যকার নন্দদুলাল গুছাইত রচিত দাসপুর এলাকার অ্যামেচার ও পেশাদার যাত্রা ও নাট্যদল এবং নাট্যকারদের পরিচিতি সম্বলিত নাট্যগ্রন্থ "দাসপুরের যাত্রা ও নাট্যশিল্প"। প্রকাশক অরিন্দম'স। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন অরিন্দম ভৌমিক। ২৬/১১/২০২৩ তারিখ রবিবার কলোড়া রবীন্দ্র মিতালী সংঘ পাঠাগারের সাংস্কৃতিক সভা গৃহে আনুষ্ঠানিক প্রকাশ হয়। প্রকাশ করেন দাসপুর - ১নং ব্লকের প্রাক্তন বি, ডি, ও জয়দেব ঘড়া। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত নাট্যকার ছাড়াও ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল অধিকারী, প্রাক্তন এ, আই দিলীপকুমার খাঁড়া এবং এলাকার কবি ও নাট্যশিল্পীবৃন্দ। গ্রন্থে বিংশশতাব্দীর প্রথম থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এলাকার যাত্রা,নাট্যদল, অভিনীত নাটক , নির্দেশক ও অভিনেতা, অভিনেত্রী এবং নাট্যকারদের সৃষ্ট নাটকের বিবরণ রয়েছে। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন বঙ্কিম মাজী। প্রকাশক জানান অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার প্রত্যেক অঞ্চল নিয়েই এই ধরনের বই করা হবে।.....
More »১৯১০ সালে লেখা ছেঁড়া ছেঁড়া পাণ্ডুলিপি । ১১৩ বছর পরে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশ পেল। পাণ্ডুলিপিটি মেদিনীপুরের ইতিহাস প্রণেতা যোগেশ চন্দ্র বসুর লেখা প্রথম কোন ইতিহাসধর্মী রচনা : "বসুবংশ" । ১৯২১ সালে মেদিনীপুরের ইতিহাস লিখে যে প্রণম্য মানুষটি বাংলা ও বাঙ্গালীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন, তাঁর প্রথম রচনাটি মেদিনীপুর শহরের রাঙামাটিতে একটি ঘুপচি ঘরের ট্রাঙ্ক-এর ভেতর লুকিয়ে ছিল শতাধিক বছর ! যোগেশ বাবুর সুন্দর হাতের লেখা দেখে মুগ্ধ হতে হয় । অনেকগুলি পৃষ্ঠা তাঁর হাতের লেখায় সজ্জিত রইল । মেদিনীপুরের কায়স্থ বসুদের পুর্বপুরুষের ইতিহাস চর্চা করতে গিয়ে আঞ্চলিক ইতিহাসের যে অকথিত আকর দলিল তিনি তৈরি করেছেন, আসলে তা বাংলার ইতিহাসের সম্পদ । রয়েছে অখণ্ড মেদিনীপুর জেলায় বসবাসকারী মাহিনগর বসুদের ৪২ পুরুষের কথা ও বংশলতিকা । বল্লাল সেন রাজ্যসভার হীরকখণ্ড দশরথ বসু, নবাব হুসেন শাহের নৌসেনা অধ্যক্ষ গোপীনাথ বসু ওরফে পুরন্দর খান, মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের মাইলস্টোন শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা মালাধর বসু ওরফে গুনরাজ খান থেকে শুরু করে মেদিনীপুরের স্বনামধন্য ইতিহাসবিদ যোগেশ চন্দ্র বসু অথবা ভারতরত্ন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু..... কোথায় যেন এঁদের সকলকে একটি সূত্রে বেঁধে ফেলা হয়েছে এই গ্রন্থে .....
More »১৮৮৮ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় লেখা মেদিনীপুর জেলার প্রথম ইতিহাস বই "মেদিনীপুর ইতিহাস"। চার খন্ডে প্রকাশিত বইটি একত্রে, ১৩৫ বছর পরে আবার প্রকাশিত হল। মেদিনীপুরের ইতিহাস নিয়ে আগ্রহী পাঠক এবং গবেষকদের জন্য একটি অসাধারণ বই। বহুদিন ধরেই গবেষকরা এই বইটির খোঁজ করছিলেন। বইটি সম্পাদনা করেছেন অরিন্দম ভৌমিক। ২০১৬ সালে ক্ষুদিরাম বসু সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েই তিনি লেখক ত্রৈলোক্যনাথ পাল সম্পর্কে জেনেছিলেন। খুঁজে বের করেছিলেন তাঁর মেদিনীপুর শহরের বাড়ি। কারণ ১৯০৫ সালে সারা দেশের মধ্যে চরমপন্থীদের প্রথম গোপন মিটিং হয়েছিল তাঁর বাড়িতেই। ৩৮০ পৃষ্ঠার বোর্ড বাঁধাই বইটিতে রয়েছে অসংখ্য আলোকচিত্র যা অরিন্দম ১৫ বছর ধরে সংগ্রহ করেছেন। প্রচ্ছদ করেছেন অরিন্দম ভৌমিক। ভূমিকায় অরিন্দম ভৌমিক মেদিনীপুরের প্রাচীন ইতিহাস নিয়ে লিখেছেন, সেখানে প্রমান করা হয়েছে ৭০,০০০ বছর আগে এই মাটিতে মানব অস্তিত্ব, রয়েছে মেদিনীপুর জেলায় পাওয়া পূর্বভারতের একমাত্র গুহাচিত্রের ছবি। বইটির সম্পর্কে তৎকালীন সময়ে যারা মতামত দিয়েছিলেন, তার কিছু অংশ এখানে দেওয়া হল - ভারতীয় জাতীয়তাবাদের পিতামহ ঋষি রাজনারায়ণ বসু লিখেছিলেন (১৮৮৮)- “আপনার ভাষা আমি দেখিতেছি ঠিক পুরাবৃত্তের উপযোগী ও আপনার অনুসন্ধান নৈপুণ্যও খুব আছে ..... শ্রীচন্দন মাড়ি সুলতানের শেষে এইরূপ দুরবস্থা হইবে কেহ মনে করে নাই। বিশেষতঃ তাঁহার রাণীর দুরবস্থার বিবরণ পাঠ করিয়া চক্ষে জল আইসে ... এছাড়াও যারা বইটির সম্পর্কে ১৮৮৮ সালে মতামত দিয়েছিলেন তাঁরা হলেন - ইণ্ডিয়ান মিরার পত্রিকার সম্পাদক, জয়েন্ট মেজিস্ট্রেট সূর্য্যকুমার অগস্তি, ম্যাজিস্ট্রেট R. Cornish, Esq., জজ R.M. Towers, Esq., রাজা মহেন্দ্রলাল খাঁন, Sir Stuart Bayley, Sir Henry Harrison, Harry Lee, C.H. Vowell, Esq, রমেশচন্দ্র দত্ত (ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ, ভাষাবিদ) .....
More »স্বাধীনতার ৭৬ বছর পরে এই প্রথমবার অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের ইতিহাস পুস্তক আকারে প্রকাশিত হল। ১৬ পৃষ্ঠা রঙিন চিত্র সহ প্রতিটি পৃষ্ঠায় রয়েছে প্রচুর আলোকচিত্র। সংক্ষিপ্ত সূচিপত্র - নয়াগ্রাম রাজবংশ, দ্বিপাকিয়ারচাঁদ রাজ্যং ও কুলটিকরি রাজবাড়ি: পটভূমি নয়াগ্রামের প্রথম রাজবংশের দুই গড়ের কথা মোগল-পাঠান যুদ্ধ ও সুবর্ণরেখার তীর নয়াগ্রামে সামন্তরাজা হাউ ভূঁইয়ার শাসন প্রতিষ্ঠা ও নয়াগ্রাম রাজবংশ নয়াগ্রামগড় ও রাজবংশের মন্দিরগুলি দেউলবাড় গ্রাম, রামেশ্বর মন্দির সুবর্ণতীরে বর্গী আক্রমণ দ্বিপাকিয়ারচাঁদ রাজ্যা ও তার সামন্তরাজাদের সমকাল রাজা জহর সিংহের মায়াসৈন্য মানুষপাথর দ্বিপাকিয়ারচাঁদ ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রাজা কালু ভূঁইয়ার রাজ্যিপাট ও নয়াগ্রাম রাজ দিব্যর সিংহের দ্বিপাকিয়ারচাঁদ দখল রাজকন্যা রাউতমণি ও রাজা দিব্য০ সিংহের কথা রাজা দিব্য্ সিংহ পরবর্তী নয়াগ্রাম রাজারা জামিরাপাল এস্টেট ও জামিরাপালগড় কুলটিকরিগড় ও নয়াগ্রাম বংশের শেষ রাজা পৃথ্বীনাথ সিংহ দৌহিত্র উত্তরাধিকার: রায় বসন্ত সিংহ ও ঈশ্বরচন্দ্র সিংহ কুলটিকরি রাজবাড়ি: শেষ প্রহরের ধ্বংসাবশেষ পরিশিষ্ট ৩ নয়াগ্রাম প্রথম রাজবংশ পরিশিষ্ট ৪ নয়াগ্রাম দ্বিতীয় রাজবংশের বংশলতিকা পরিশিষ্ট ৫ জামিরাপালগড়ের দাসমহাপাত্র বংশের বংশলতিকা পরিশিষ্ট ৬ কালপঞ্জি পরিশিষ্ট ৭ - ওড়িয়া-বাংলা মিশ্র ভাষায় লেখা রাজা রঘুনাথ সিংহ মান্ধাতা কর্তৃক কিশোরদাস বাবাজিকে রঘুনাথজিউ মঠসহ সম্পত্তির দেবোত্তর দানপত্রের প্রতিলিপি
More »বাংলা লোক-সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে সম্ভবত ধাঁধা সব থেকে অবহেলিত বিষয়। আমাদের অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলায় এখনো পর্যন্ত ধাঁধার সংগ্রহ যেমন খুবই কম হয়েছে, তেমনই এই বিষয়ে সমাজ-বিজ্ঞান-সম্মত আলোচনাও তেমন হয়নি। সেই ধাঁধা নিয়েই প্রকাশিত হল "পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ধাঁধা সমীক্ষা"। বইটিতে রয়েছে - জেলার পরিচিতি, ধাঁধার উৎস : সংজ্ঞার্থ ও স্বরূপ, ধাঁধার শ্রেণিবিন্যাস ও বিষয় বৈচিত্র্য, ধাঁধা, ছড়া ও প্রবাদের মিল ও অমিল ইত্যাদি।
More »বাংলা লোক-সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে সম্ভবত ধাঁধা সব থেকে অবহেলিত বিষয়। আমাদের অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলায় এখনো পর্যন্ত ধাঁধার সংগ্রহ যেমন খুবই কম হয়েছে, তেমনই এই বিষয়ে সমাজ-বিজ্ঞান-সম্মত আলোচনাও তেমন হয়নি। সেই ধাঁধা নিয়েই প্রকাশিত হল "পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ধাঁধা সমীক্ষা"। বইটিতে রয়েছে - জেলার পরিচিতি, ধাঁধার উৎস : সংজ্ঞার্থ ও স্বরূপ, ধাঁধার শ্রেণিবিন্যাস ও বিষয় বৈচিত্র্য, ধাঁধা, ছড়া ও প্রবাদের মিল ও অমিল ইত্যাদি।
More »প্রথম অধ্যায় সুসমৃদ্ধ ইতিহাসের হাতছানি—রামনগর রজনীকান্ত জ্ঞানমন্দির সংগ্রহশালা ও গবেষণা কেন্দ্র গড়ে ওঠার প্রসঙ্গে প্রসঙ্গ : বিপন্ন বিস্ময় রামনগরের জীববৈচিত্র্য দ্বিতীয় অধ্যায় রামনগরের গ্রাম ও স্থাননাম হারিয়ে যাওয়া সপ্তগ্রাম এবং …. রামনগরের জনজাতি ও তার সাংস্কৃতিক পরিচয় সন্ধানে তৃতীয় অধ্যায় লোক প্র-কৌশল ও রামনগরবাসী রামনগরের আতিথেয়তা চতুর্থ অধ্যায় আন্দোলনের আলোকে রাজনৈতিক ইতিহাস ইতিহাসের আলোকে : বর্ণময় বলাইলাল দাসমহাপ্রাত্র ত্রৈলোক্যনাথ : শিক্ষার্থী ও শিক্ষাসংস্কারক বীরকুলে মলঙ্গী বিদ্রোহ ভারতজননী পুজো পঞ্চম অধ্যায় রামনগরের লোকভাষা রামনগরের লোকসংস্কৃতি ষষ্ঠ অধ্যায় রামনগরের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সাহিত্যপত্র কৃপাসিন্ধু মিশ্রের লিখন : একটা আলোকপাত রামনগরের সঙ্গীতধারা যাত্রা শিল্পচর্চায় রামনগর রামনগরের বিনোদন—সিনেমা সপ্তম অধ্যায় রামনগরের গ্রামীণ শিল্প উপকূলীয় পর্যটন ও স্থানীয় খাদ্যাভ্যাসে তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব—একটি সমীক্ষা অষ্টম অধ্যায় রামনগরের কবি-সাহিত্যিক ও তাঁদের সাহিত্য ভাবনা নবম অধ্যায় রামনগরের শিক্ষার ইতিকথা দশম অধ্যায় রামনগরের চিকিৎসা ব্যবস্থা
More »লেখক পেশাগত কারণে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। জন্ম দীঘার অদূরে সৈকতভূমি মান্দারমণির নিকটবর্তী কালিন্দী গ্রামে । কৈশোর, যৌবন কেটেছে এখানে, পরে কর্মসূত্রে বিভিন্ন জেলায় বদলি হয়ে কর্মজীবনের শেষ দশবছর দীঘাতে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে নিউ দীঘাতে বসবাস। তাই দীঘার সাথে নাড়ির সম্পর্ক। দীঘার সমুদ্রতটের ভাঙন, বিস্তীর্ণ ঝাউ জঙ্গল, লাল কাঁকড়া, সুউচ্চ বালিয়াড়ি, কেয়া-ঝাড় ইত্যাদির সাক্ষী তিনি সেই কৈশোর থেকে নানান স্বাদের রোমান্টিক ঘটনার সাক্ষী । পেশাগত কারণে বিভিন্ন বয়সের মানুষের সাথে মেশার ফলে, তাঁদের উপলব্ধি করেছেন তাঁদের দেহ ও মনকে নিজের মননে । তাঁদের হাসি-আনন্দ, প্রেম-বিরহ, চাওয়া-পাওয়া, রাগ-অনুরাগ প্রতিফলিত হয়েছে দীঘা সমুদ্র কেন্দ্রিক__ “দীঘা-প্রেম-অপ্রেম-ভ্রষ্টপ্রেম”-এর গল্প সংকলনে । চলতে চলতে গল্প বলা, গল্প করা- এই আঙ্গিকে এক অভিনব ঘরাণার গল্পকার অলোকনাথ মিশ্র। গল্প পড়া শুরু করলেই শেষ পর্যন্ত তাঁর গল্পই পাঠককে পড়িয়ে নেয়। গল্পকার অলোকনাথ মিশ্র সমুদ্র অনুরাগী । চিকিৎসক হিসেবে তাঁর মনে হয়েছে, সমুদ্র যেন পৃথিবীর হৎপিগু। দীঘা সমুদ্রের ক্লান্তিহীন, বিরামহীন, কর্মচঞ্চলতাই তাঁর বিশেষ ধর্ম। বিস্তীর্ণ ঝাউগাছ__ “চলো না দীঘার সৈকত ছেড়ে সারা বাংলা মেতে উঠেছিল। সমুদ্র, বালিয়াড়ি, ঝাউবন, লাল কাঁকড়ার বিভিন্ন ধরণের ম্যানগ্রোভের বিনাশ মানেই পৃথিবীর নাশ। সুচিপত্র গল্পের নাম পত্রাঙ্ক ভালোবাসি-ভালোবাসি ১১ বাতিঘর ১৮ ডেড-সী ২৩ সেদিন-চৈত্রমাস ৩২ নাথবতী-অনাথবৎ ৩৭ ঝাঁপ ৪১ হাতের উপর সূর্য ৫০ প্রত্যাবর্তন ৫৩ ইলশেমি ৬১ হনন ৬৭ ভূতের অতীত ৭৪ সত্যের মুখোমুখি ৮২ শিবির বদল ৮৮ বিয়ারকুল-বীরকুল-দিঘর-দীঘা ৯৪ “শেষের সে দিন ভয়ংকর" নয় ১০০
More »সুচিপত্র ১ জননী জন্মভূমিশ্চ ৫ ২ সর্দারি ৮ ৩ তরঙ্গে তরণী ভাসে ১১ ৪ বিলেতে ১৪ ৫ স্বদেশী আন্দোলন ১৬ ৬ জেলা ভাগ প্রতিবাদে বীরেন্দ্রনাথ ১৯ ৭ অসহযোগ আন্দোলন ২২ ৮ তিলক স্বরাজ্য ভাণ্ডার ২৪ ৯ ইউনিয়ন বোর্ড বয়কট ২৬ ১০ জাতীয় বিদ্যালয় ৩১ ১১ হরতাল ৩৩ ১২ স্বরাজতীর্থে ৩৬ ১৩ স্বরাজ্যদলের জন্ম ৩৯ ১৪ জেলা বোর্ডের বীর নায়ক ৪১ ১৫ কলকাতার কলকাঠি ৪৪ ১৬ ত্যাগের পালা ৪৮ ১৭ হিংসা বনাম অহিংসা ৫২ ১৮ একলা চলো রে ৫৬ ১৯ উচ্চ শির উচ্চে রাখি ৬১ পরিশিষ্ট-১ কংগ্রেস সভাপতির অভিভাষণ ৬৫ পরিশিষ্ট-২ দেশপ্রাণ ও সমকাল ৬৭ পরিশিষ্ট-৩ সাহিত্য চর্চায় বীরেন্দ্রনাথ ৬৯
More »আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
পাঁশকুড়া ব্লকের ২৪৮টি মোজার সমস্ত পুরাকীর্তি সম্পদের তালিকা এবং গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তি সম্পদের অনুপুঙ্খ বর্ণনা ও গবেষণা মূলক বিশ্লেষণ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও লিপিবদ্ধ করা হয়েছে ব্লকের সমস্ত মৌজার মন্দির, মসজিদের তালিকা এবং প্রসিদ্ধ ও ঐতিহাসিক মন্দির -মসজিদের অনুপুঙ্খ বর্ণনা ও গবেষণা মূলক বিশ্লেষণ। ব্লক এলাকার সমস্ত মূল ধারার দেব-দেবী, লোকদেবতা, গ্রাম দেবতার তালিকা ও গবেষণা মূলক প্রসঙ্গ পুস্তকটিতে লিপিবদ্ধ হয়েছে। একই সাথে পুস্তকটির বিষয়বস্তু সম্পর্কিত প্রবহমান কিংবদন্তী, জনশ্রুতি, লোককথা সহ নানান কৌতুহলোদ্দীপক কাহিনি লিপিবদ্ধ হয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
পাঁশকুড়ায় ফুল ও ফলের সমৃদ্ধি আজকের নয়, ইতিহাসের পথ ধরে তা বহু যুগের। এই সমৃদ্ধির পশ্চাতে একটি সমৃদ্ধ সভ্যতার অবদান অস্বীকার করা যায় না। সেই সমৃদ্ধ সভ্যতার বিকাশ হয়েছিল কংসাবতীর তীরে। পাঁশকুড়া জুড়ে কাঁসাইয়ের তীরে গড়ে ওঠা সেই প্রাচীন সভ্যতার ক্ষয়িষ্ণু চিহ্ন আজও ছড়িয়ে রয়েছে সর্বত্র। রাজা, জোতদার, জমিদার থেকে প্রজা সবাই রেখে গেছেন শিল্প-সুষমার সাক্ষ্য। পাঁশকুড়ার সেই সব অতীত ঐতিহ্যের পথ ধরে হাঁটলে আমরা অজান্তেই পৌঁছে যাই ইতিহাসের বিস্মৃত অতীতে। আমাদের হাতছানি দেয় সেই সব ভাঙা মন্দির, পোড়ো বাড়ি। পাঁশকুড়ার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের হদিশ সহ যাবতীয় তথ্য সমৃদ্ধ এই পুস্তক- 'দেউল ফুলের উপত্যকা '(৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস: প্রায় সাড়ে চারশো বছর আগের কথা। ১৫৭৩ খ্রিস্টাব্দে তদানীন্তন ওড়িশার কাশিজোড়া পরগনায় (অখণ্ড মেদিনীপুরের সাতটি থানা এলাকা) প্রতিষ্ঠিত হয় রায় রাজবংশের। গঙ্গানারায়ণ সিং (রায়) এর হাত ধরে যে রাজত্বের সূচনা হয়, তাতে রাজত্ব করেন পরপর দশ রাজপুরুষ। ২৩৩ বছরের রাজত্ব ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। সেই কাশিজোড়া রাজতন্ত্র প্রবল প্রতাপশালী মোঘল শাসন ও দোণ্ডর্দপ্রতাপ ব্রিটিশ শক্তির আগ্রাসী প্রভাব প্রতিপত্তির মধ্যেও বজায় রেখেছিল স্বতন্ত্র সত্ত্বা। কিন্তু সেই রাজত্ব ১৩টি খন্ডে নিলাম হয়ে মুছে গেল। ইতিহাসের পথ ধরে চলতে চলতে আনাচে-কানাচে কান পাতলে শোনা যায়, এই রাজতন্ত্রের পতনের পশ্চাতে নাকি লুকিয়ে আছে অন্তসলীলা অভিশাপ। কি সেই অভিশাপ? শুধু তাই নয়, ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে নানান লোককথা, কিংবদন্তী, আধ্যাত্মিকতা, ব্যাভিচারিতা, যুদ্ধ, খুন ইত্যাদি ঘটনা সমৃদ্ধ এই উপন্যাস তৎকালীন আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিও জ্বলন্ত রূপে উপস্থাপিত করেছে। (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
আপনি চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে আপনার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। COD র ব্যবস্থা রয়েছে (৯৮৮৬১২৮৫১৬, ৮৯১৮৬০৬৯৮৯)। More »
Adi Dey Book Store - 9875653855
Boimela.in - 9330109091
Sanchita Book Store - 7797487821
Dipika Book Sellers – 8514838702 / 8513891293
Bandhab Library - 9609290548
Roy Enterprise – 03228231181
Sri Manmatha Nath Das – 9775792030
Chatrabandhab Book Store – 97756 81859
Jotirmay Khatua – 8777028620
Amalendu Nayak – 7872526682
Mallick Pustakalaya - 9733616314
Bhurjapatra - 7585912601
Sudip Ghatak - 8972427882
Puthighar - 9474405509
Santanu Adhikari – 7063111031
Sri Surya Nandi – 9434410848
Sri Sandip Pal – 9434005091
Purna Chandra – 7477624463